Home / চুলের যত্ন / বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তির ১১টি উপায়

বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তির ১১টি উপায়

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো বর্ষাকালে চুল পড়ার(Hair loss) সমস্যা থেকে মুক্তির ১১টি উপায় নিয়ে। সময়টা বর্ষাকাল। ঘামের(Sweat) সমস্যা কিছুটা কমে। কিন্তু এই সময়ের সব থেকে বড় সমস্যা হয় চুলের। গাদাগাদা চুল(Hair) ওঠে। চুলের বিভিন্ন রকম সমস্যা খুসকি(Dandruff), ঘামাচি, স্ক্যাল্পে ইনফেকশন ইত্যাদি দেখা যায়। বর্ষাকালের আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য চুলের বেশি ক্ষতি হয়। তাই এই সময়ে দরকার বিশেষ যত্নের। এই সময়ে চুলের(Hair) বিশেষ যত্ন কী ভাবে নেবেন? দেখে নিন –বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তির ১১টি উপায়

বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তির ১১টি উপায়

১। বৃষ্টির জল ধুয়ে ফেলা
প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে, বৃষ্টিতে চুল ভিজে গেলে বাড়ি এসে চুল ভালো করে ধুয়ে নেবেন। বৃষ্টির জল চুলের ক্ষতি করে, জট বাধাতে পারে। তা ছাড়া বৃষ্টির জল বসে জ্বর হবে, সে খেয়ালও তো রাখতে হবে।

২। গোড়া শুকনো রাখা
গায়ের ঘাম কম হলেও মাথা কিন্তু অনবরত ঘামতেই থাকে। চুলের গোড়া ঘেমে যায় তার থেকেই হয় খুশকি ও চুল ঝরা শুরু হয়। তাই চুলের গোড়া সব সময় শুকনো রাখুন।

৩। গরম তেল ম্যাসাজ
শ্যাম্পু(Shampoo) করার আগে নিয়ম করে নারকেল তেল(Coconut oil) গরম করে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত রেখে পরের দিন সকালবেলা শ্যাম্পু করে নিন।

৪। শ্যাম্পু করা
সপ্তাহে তিন দিন অবশ্যই শ্যাম্পু করুন। খুশকি তাড়ানোর শ্যাম্পু অনেক বেশি রুক্ষ হয়। তাই শ্যাম্পুর সঙ্গে ঘরোয়া উপাদান মিশিয়ে নিলে ভালো। শ্যাম্পুর সঙ্গে পেঁয়াজ(Onion) মিশিয়ে নিলে চুল ঝরঝরে ও উজ্জ্বল(Bright) হয়। শুষ্কতা থাকে না। সপ্তাহে একদিন সম্ভব হলে টকদই লাগাতে পারেন।

৫। ভেজা চুল নয়
ভেজা চুল কখনওই বাঁধা উচিত নয়। ভেজা চুল বেঁধে রাখলে মাথায় দুর্গন্ধ হয়। ভেজা চুলে জল ও ঘাম জমে খুশকি, উকুনের মতো সমস্যা দেখা যায়। চুলের ত্বকে ছত্রাকের সংক্রমণ হয়। যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

৬। ড্রায়ারের ব্যবহার
হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এর কারণেও প্রচুর চুল পড়ে। তাই যতটা পারবেন এড়িয়ে যাবেন।

৭। কন্ডিশনার
শ্যাম্পু করার পর চুলে অবশ্যই কন্ডিশনার(Conditioner) লাগাবেন। তাতে রুক্ষ ভাব দূর হয়। তবে কন্ডিশনার মানে কিন্তু চুলের গোড়ায় দেওয়া নয়। শুধু লম্বা চুলে।

৮। অ্যালোভেরা
চুলের জন্য অ্যালোভেরা ভীষণ ভালো। অ্যালোভেরার রস সপ্তাহে ২ -৩ বার লাগাতে পারেন। ভালো ফল পাবেন।

৯। মেথির ব্যবহার
চুলের জন্যে মেথি(Fenugreek) খুব উপকারী। সারা রাত একটি পাত্রে মেথি ভিজিয়ে নিয়ে সকালে জল ছেকে নিন। তার পর শ্যাম্পু করার পর সবার শেষে ওই মেথি ভেজানো জলটা দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। এতে চুল পড়া বন্ধ হবে, খুশকি (Dandruff) দূর হবে। চুলের(Hair) উজ্জ্বলতা বাড়বে।

১০। পাতিলেবুর রস
বর্ষাকালে স্ক্যাল্প খুব তেলতেলে হয়ে যায়। তাতে খুশকি বাড়ে। সে ক্ষেত্রে পাতিলেবুর রস মাখলে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১১। কলপ নয়
এই সময় চুলে কালার করা ঠিক নয়। যতটা সম্ভব কসমেটিক প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকুন। এতে চুল ওঠার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

Check Also

কখন চুলের যত্ন নেওয়ার সঠিক সময় জানেন কি

কখন চুলের যত্ন নেওয়ার সঠিক সময় জানেন কি?

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *